Our mission
বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজ বা হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশ সদর দফতর ও বিভিন্ন সময়ের পরিসংখ্যানে দেখা যায় প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা অভিযোগ দায়ের হয়. তবে এর একটি বড় অংশ পরবর্তীতে উদ্ধার হয় বা পরিবারের কাছে ফিরে আসে।
পুলিশ সদর দফতরের তথ্য অনুযায়ী সাম্প্রতিক বছরগুলোর চিত্র নিচে দেওয়া হলো:
* বার্ষিক পরিসংখ্যান (জিডি অনুযায়ী): পুলিশ সদর দফতরের তথ্যমতে, অনলাইন জিডি সেবা চালুর পর থেকে নিখোঁজ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরির সংখ্যা বেড়েছে। যেমন—২০২৩ সালে দেশে প্রায় ১৭,৮০৮টি, ২০২৪ সালে ১৬,৪১৪টি এবং ২০২৫ সালে প্রায় ২২,৫৫০টি নিখোঁজের জিডি রেকর্ড করা হয়েছিল।
* চলতি বছরের চিত্র: চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে (জানুয়ারি থেকে জুলাই) দেশজুড়ে মোট ১৫,৭১৭ জন শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১৩,৬৭৯ জন শিশুকে (প্রায় ৮৭ শতাংশ) উদ্ধার করা হয়েছে বা তারা নিজেরাই ফিরে এসেছে, এবং বাকি ২,০৩৮ জন শিশু তখনও উদ্ধার বা সন্ধানহীন অবস্থায় ছিল।
শিশু নিখোঁজ হওয়ার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
* ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে (০-৯ বছর): পরিবারের সাথে অচেনা স্থানে গিয়ে পথ হারিয়ে ফেলা, নিজেদের নাম-ঠিকানা বলতে না পারা বা একা ফিরতে গিয়ে দিকভ্রান্ত হওয়া।
* কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে (১০-১৭ বছর): পারিবারিক কলহ, অভিমান করে বাড়ি থেকে চলে যাওয়া, পড়াশোনার চাপ, অসঙ্গত মেলামেশা বা স্বাধীনভাবে চলার প্রবণতা। এ ছাড়া পাচার বা অপরাধচক্রের কবール পড়ার মতো ঝুঁকিও এর পেছনে কাজ করে।
আপনার কি এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা নির্দিষ্ট কোনো এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানার প্রয়োজন আছে?
Our vision
আর যেন কোন বাবা মার বুক খালি না হয়।
আমাদের এই প্লাটফর্ম কিছু মাত্র হলেও বাচ্চাদের খুঁজে দিবে